চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন চুয়েট শিক্ষার্থীদের
চেঞ্জমেকারদের সঙ্গে আলোচনায় প্রথম রানার্সআপ চুয়েট
চেঞ্জমেকারদের সঙ্গে আলোচনা প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে প্রথম রানার্সআপ হয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একটি দল।
থার্ড স্মাইল কর্তৃক আয়োজিত দুই সপ্তাহের প্রতিযোগিতার পর গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২০টি দল অংশগ্রহণ করে। চুয়েটের ৩টি দল অংশগ্রহণ করলেও চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হয় একটি।
চূড়ান্ত পর্বে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চার কাউন্সিলর এবং দু’জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কনসুলেট সোলায়মান আলম শেঠ।
চুয়েটের দলের সদস্যরা হলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইয়াসির আফনান, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী উদয় চৌধুরী এবং মো. জাহিদুর রহমান।
চুয়েটের বিজয়ী দলটি জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানের জন্য একটি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। চুয়েটের দলটির আইডিয়া অনেক প্রশংসা অর্জন করে এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সকল প্রকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা তাদের করবেন বলে আশ্বাস দেন।
পুরষ্কার হিসেবে চুয়েটের দলটির প্রত্যেকে মেডেল, একটি দলীয় ট্রফি এবং ২০ হাজার টাকা সম্মানি পান।
পুরস্কারপ্রাপ্তির পর মো. ইয়াসির আফনান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধান নিয়ে কাজ করা যেন স্বপ্নের মত। সব সময় মনে হতো, হয়তো ক্ষমতা থাকলে এটা করব ওটা করব, এই প্রতিযোগিতাটি আমাকে সে সুযোগ করে দিয়েছে। পরিশেষে রানার্সআপ হওয়ার থেকেও বেশি খুশি হয়েছি কাউন্সিলর স্যারের অনুমোদনে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায়।’
মো. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘চুয়েটে পড়াশোনার সুবিধার্থে চট্টগ্রামে থাকি। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যায় সবার দুর্ভোগ এবং অনেক মানুষের মৃত্যু আমাকে খুব ব্যথিত করেছে। এই প্রতিযোগিতা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার সমস্যাটির সমাধান নিয়ে আমাদের ধারণাগুলোকে সম্মানিত কাউন্সিলর গণের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ করে দিয়েছে। প্রতিযোগিতার এত দূর পর্যন্ত আসবো, এটা আসলে প্রথমে ভাবিনি। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত আমরা প্রথম রানার্সআপ হয়েছি। যার অনুভূতি সত্যিই অসাধারণ।’
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দল। তারা কাজ করেছিল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
ডিজে