চট্টগ্রামের পটিয়ায় তছলিমা আকতার (২৩) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বাথুয়া গ্রাম ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল খালেকের পুত্র মো. মুন্নার স্ত্রী।
বুধবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় পটিয়া থানা পুলিশ গৃহিণীর লাশ ঘর থেকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করেছে।
জানা যায়, উপজেলার পূর্ব বাথুয়া গ্রামের আবদুল খালেকের পুত্র আবদুল আজিজ প্রকাশ মুন্নার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার চারুয়া গ্রামের মো. বাবুলের কন্যা তছলিমার প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ৪ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ছয় মাসের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় সময় তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে শ্বশুর ও গৃহবধূর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে বুধবার (২৪ আগস্ট) সকালে তছলিমা তার ১ বছরের কন্যাকে নিয়ে তাদের রুমে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে রাখেন। এর একপর্যায়ে শিশুটি রুমের মধ্যে কান্নাকাটি করলে শ্বশুর-শাশুড়ি দরজা ভেঙে প্রবেশ করে একটি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওই গৃহিণীর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।
পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
পটিয়া থানার পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে— আতহত্ম্যা না হত্যা। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড হয়েছে।
গৃহবধূর স্বামী আবদুল আজিজ মুন্না জানান, আগের দিন রাতে তার পিতা আবদুল খালেকের সঙ্গে বউয়ের বাকবিতণ্ডা হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক হিসেবে একটি জাহাজে কর্মরত আছেন সাগরে। ঘরে কী ঘটেছে তা তিনি জানেন না।
সিপি