রেল কর্মচারী ধর্মঘট প্রত্যাহার হলেও রেলওয়েতে দেখা দিয়েছে শিডিউল বিপর্যয়। চট্টগ্রাম থেকে ইতোমধ্যে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। বাকি ট্রেনগুলোর যাত্রা বাতিল হয়ে কি-না তা জানা না গেলেও শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে।
বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় রানিং এলাউন্স যোগ করে পেনশন সুবিধা বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেওয়ার পরপর কর্মচারীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।
এর আগে এ দাবিতে বুধবাদ সকাল থেকে হঠাৎ করে রেলকর্মচারী ট্রেন চালক, গার্ড, টিটিইরা মিলে সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখে।
এর ফলে চট্টগ্রাম থেকে চারটি আন্তঃনগর, দুইটি মেইল ট্রেন এবং নাজির হাট রুটে চারটি ট্রেন বন্ধ থাকে।
এর মধ্যে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়।
দুপুর ১২টায় রেল মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শামীম বানু শান্তি স্বাক্ষরিত এক আদেশে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আদেশ বাতিল করা হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে শ্রমিকরা।
জানা গেছে, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই রেলওয়ের অর্থ বিভাগ গত ১০ এপ্রিল এক আদেশে এলএম, এএলএম,গার্ডদের এলাউন্স দিবেনা উল্লেখ করে চিঠি ইস্যু করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্মবিরতি ঘোষণা তারা।
এর ফলে বুধবার চট্টগ্রামে সূবর্ণা, মহানগর, পাহাড়িকা, চট্টলা এক্সপ্রেস, সাগরিকা, কর্ণফুলী মেইল ট্রেনের হাজার হাজার যাত্রী আটকে থাকে স্টেশনে। দূর্ভোগের শিকার হয় নারী, শিশু, বৃদ্ধরা।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল ঘোষণা করে টিকেটের টাকা ফেরত প্রদান করে। এছাড়া সুর্বণ এক্সপ্রেসের দেরিতে ছাড়ার সিদ্ধান্ত হলেও চট্টলা, মহানগর এক্সপ্রেসের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত মিলেনি।
তবে বিকেল ৫টায় সোনার বাংলা এক্সপ্রেস যথা সময়ে ছাড়বে বলে নিশ্চিত করেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় কর্মব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবুল কালাম আজাদ।
জেএস/এমএফও