চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পটিয়া বিজনেস প্লাটফর্মের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮শে জুন) বিকেলে পটিয়ার একটি রেস্টুরেন্টে এ ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পটিয়া বিজনেস প্লাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা এডমিন এমডি রুবেল ও নাফিজ করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এমদাদুল হাসান, উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক সৈয়দ নুরুল আবছার, আবসার উদ্দিন, পটিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক কাউছার আলম, আল শাকরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কো- চেয়ারম্যান নাজনা আকতার, মীর আবুল হোসেন মাস্টার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মীর এরশাদুল রহমান।
আরও উপস্থিত ছিলেন পটিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক এনায়েত, এপেক্স ক্লাবের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ মিয়া হাসান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রত্যয় সাংস্কৃতিক একাডেমির নির্বাহী পরিচালক আবদুল্লাহ ফারুক রবি, দিশা ট্রাস্টের সভাপতি আবু ইউসুফ পিংকু, সায়েদ তালুকদার খোকন, রাজিয়া সুলতানা,পটিয়া বিজনেস প্লাটফর্মের মডারেটর শারমিন রিমা, নিশা, লিপি ও রেশমী।
অনুষ্ঠানে সিঙ্গার, বার্জার, সিটি মার্ট শপিং মলসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, অনলাইনে এখন হাজার হাজার উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। তাদের মধ্যে টিকে থাকতে হলে, প্রতিযোগিতায় সফল হতে হলে ব্যতিক্রমী কিছু করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে মানুষ সহজেই যেমন সেটা মনে রাখতে পারবে। আবার ব্যবসার ধরণের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হলে সেটা তাদের প্রয়োজনের সঙ্গেও মিলে যাবে।
অনলাইন ব্যবহারকারীদের প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করায় এখান থেকে গ্রাহক পাওয়া, গ্রাহকদের কাছে নিজের পরিচিতি তুলে ধরা সহজ। ফেসবুকে বুস্টিং, অর্থাৎ নিজের প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে অপরিচিত মানুষদের কাছে প্রতিষ্ঠানের সংবাদ পৌঁছানো যায়। বাংলাদেশে প্রায় তিন কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফলে এই প্লাটফর্ম ব্যবহার করে বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে পণ্য বা সেবার তথ্য তুলে ধরা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রাহকের কাছে শুধু পণ্যটি বিক্রি করাই শেষ কথা নয়, সেটা প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। কারণ পণ্য পৌঁছাতে বিলম্ব হলে গ্রাহক এই প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে বিরূপ মনোভাব তৈরি হতে পারে। আর যারা নানা কাঁচাপণ্য বিক্রি করছেন, তাদের যত চ্যালেঞ্জই থাকুক, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পণ্যটি পৌঁছে দেওয়ার কাজটি সম্ভব করতে হবে।
অনেকেই অন্য স্থান থেকে পণ্য সরবরাহ করে সেটি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেন। এক্ষেত্রে তাদেরও এমন একটি চেইন তৈরি করতে হবে যাতে, তারাও পণ্যটি সঠিক সময়ে হাতে পান।
ডিজে