সকালে ঈদের নামাজ শেষে ক্লান্তি কাটানোর জন্য টেবিল ফ্যানটা মাত্রই ধরেছিলেন হাত দিয়ে, এরপরই হঠাৎ চিৎকার দিয়ে মাটিতে পড়ে যান। কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও মৃত্যু হয়ে গেল তার আগেই।
বিদ্যুৎপৃষ্টে এভাবেই মারা গেলেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের নিজামপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শারহিয়ার হোসেন বাপ্পি (১৮)। বুধবার (২১ জুলাই) ঈদুল আজহার দিনেই সকাল ১১টায় উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের রোকনদিপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত বাপ্পি ওসমানপুর ইউনিয়নের মুন্সি মিঝি বাড়ির মো. মুসা মিয়ার পুত্র। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে বাপ্পি সবার ছোট।
নিহতের চাচাতো ভাই মিনহাজুল আবেদীন রিংকু বলেন, বুধবার সকালে ঈদের নামাজ শেষে কোরবানি গরুর কাজ করছিলেন। এ সময় বাপ্পি বলে, আমার কাছে গরম লাগতেছে একটু ফ্যানের বাতাস খেয়ে আসি। তখন সে টেবিল ফ্যানটা ধরে তার দিকে মুখ করে দিতে গেলে হঠাৎ চিৎকার দিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বারইয়ারহাট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার আসরের নামাজের পর রোকনদিপুর ঈদগাহ মাঠে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এদিকে বাপ্পির এমন মৃত্যু পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজন কেউ মেনে নিতে পারছে না। তার মৃত্যুতে নিজ গ্রাম রোকনদিপুর গ্রামের মানুষ মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, খুবই মর্মান্তিক বিষয়। এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর।