চট্টগ্রামের প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকা বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর বাক প্রতিবন্ধী কন্যাশিশু ধর্ষণ মামলার আসামিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

গ্রেপ্তার আসামির নাম মহিউদ্দিন সাকিব (২৪)। তিনি মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। রাতে তাকে বোয়ালখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মহিউদ্দিন সাকিব বোয়ালখালী উপজেলার ৪ নম্বর শাকপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শাকপুরা মনার বাপের টেক এলাকার তুফান আলী মুন্সির বাড়ির আব্দুল মোনাফের ছেলে।

বোয়ালখালী থানার মামলা সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালখালী উপজেলার ৪ নম্বর শাকপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শাকপুরা মনার বাপের টেক এলাকার বাসিন্দা ওই বাক প্রতিবন্ধী কন্যা শিশু (১৪)। শিশুটির মা বোয়ালখালী উপজেলা মিলিটারীপুল এলাকায় নাড়া গার্মেন্টেসে চাকরি করেন। শিশুটির বাবা ওমানে থাকেন। ১৫ আগস্ট বাক প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুর মা প্রতিদিনের মতো সকালবেলা কর্মস্থলে চলে যান। রাত ৯ টার দিকে ঘরে ফিরে দেখে তার বাক প্রতিবন্ধী মেয়ে সোফার উপর বসা এবং ভুক্তভোগীর মেয়ের পরনের পায়জামা রক্তাক্ত। তার মেয়ের পরনের পায়জামা চেক করে দেখতে পায় তার মেয়ের যৌনাঙ্গ হতে রক্ত বের হচ্ছে। পরে এ বিষয়ে বাক প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুর মা মেয়েকে জিজ্ঞেস করিলে, শিশুটি অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে মাকে জানায় ধর্ষণের কথা। শিশুটি জানায়, বসতঘরের দরজা বন্ধ করে, মুখ চেপে ধরে ধর্ষন করে মহিউদ্দিন সাকিব চলে যায়।

বাক প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুটির মা বলেন, আমার বাক প্রতিবন্ধী মেয়েকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার মেয়েকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠান। আমি আমার প্রতিবন্ধী মেয়ের চিকিৎসা শেষে স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরামর্শ করে বোয়ালখালী থানায় মহিউদ্দিন সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি।

বোয়ালখালী থানার এসআই মো. মাঈন উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকে মহিউদ্দিন সাকিব পলাতক ছিলেন। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে না যান, সেজন্য আমি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন বরাবর চিঠি পাঠাই। এর পেক্ষিতে ১৮ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দরে দিয়ে মালয়েশিয়া পালিয়ে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর রাতে তাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেন।

ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm