গত বছরের তুলনায় পূজা মণ্ডপের সংখ্যা কমছে চট্টগ্রাম জেলায়। চট্টগ্রাম জেলায় এ বছর ২ হাজার ১৭৫টি মণ্ডপে হতে চলেছে দেবী দূর্গার পূজা। যা আগের বছর ছিলো ২ হাজার ৩২৪টি।
মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা কমিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি আটটি দাবিও জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, এ বছর ২ হাজার ১৭৫টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা হচ্ছে চট্টগ্রাম জেলার ১৫ উপজেলায়। এর মধ্যে সার্বজনীন প্রতিমা পূজা হবে ১ হাজার ৬৫১টিতে, ঘটপূজা ৫২৪টিতে।
লিখিত বক্তব্যে পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুগ্রীব মজুমদার দোলন আটটি দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে সব উপজেলায় একটি করে মডেল মন্দির নির্মাণ, চণ্ডীতীর্থ মেধস আশ্রমের সংস্কার ও সড়কের উন্নয়ন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ফাউন্ডেশনে রূপান্তর, দুর্গোৎসবে চার দিনের সরকারি ছুটি, সংখ্যালঘু কমিশন গঠন ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায়নে জটিলতার নিরসন এবং রানি রাসমণি বারুণী স্নানঘাট তথা সমুদ্রতীর্থ সংরক্ষণে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ।
এবারের পূজা পর্যবেক্ষণের জন্য পরিষদের জেলা কনট্রোল রুম ও ৩টি পর্যবেক্ষণ টিম থাকবে।
কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল কুমার পালিত বলেন, দুর্গাপূজা বাঙালির উৎসব। তাই চার দিন ছুটির দাবি জানাই। বর্তমানে একদিন ছুটি আছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে কিছু পূজামণ্ডপে প্রশাসনের নজরদারি বেশি থাকবে। আমরা মনে করি প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সক্ষম। সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ালে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে পুলিশ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, সাবেক সভাপতি দীলিপ কুমার, সহ সভাপতি বিপুল কান্তি দত্ত, সুনীল ঘোষ, বিশ্বজিৎ পালিত প্রমুখ।
বিএস/এমএফও