চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ে দুদক এ অভিযান চালায়। এ সময় টেন্ডারের বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে নিরীক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়া ওষুধ কেনা আর্থিক ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী। পিপিআরের এই ধারা ব্যবহার করে কেনাকাটা বা কার্যাদেশ না দিতে বিভিন্ন সময়ে লিখিত নির্দেশনা দেন সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে পরিচ্ছন্নতা বিভাগ সেই নির্দেশনা না মেনে দরপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনেছে।
জানা গেছে, সরকারি তহবিলের টাকায় ই-জিপির (ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট) মাধ্যমে কেনাকাটা করা এবং দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদার অরভিন সাকিব ইভানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স বেঙ্গল মার্ক ইন্টারন্যাশনালের কাছ থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি ও সেপ্টেম্বর মাসে দুই দফায় ৬ হাজার ৩৫০ লিটার মশা নিধনের ওষুধ কেনা হয়।
এর আগে ২০১৯ সালের অক্টোবরে কেনা হয়েছিল ৬ হাজার ৪০০ লিটার ওষুধ। এসব ওষুধের জন্য সিটি করপোরেশনের ব্যয় হয় ৭৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা।
দুদক সমন্বিত চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এর ইনচার্জ ও দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত বলেন, ‘কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মশা নিধনে ওষুধ ক্রয় করে। এ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।’
আরএ/এমএফও