পর পর তিন দিন চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে সংখ্যাটি চারে স্থির ছিল। একই সাথে কমছিল শনাক্তের সংখ্যাও। কিন্তু ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে মৃত্যু বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। ৭ জনের মৃত্যুর দিনে চট্টগ্রামে বেড়েছে শনাক্তও। চট্টগ্রামে ৬৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১০৬ জন।
এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত গিয়ে দাঁড়াল ৫০ হাজার ২৮০ জনে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৫৩৫ জন। যাদের ৩৯৬ জনই নগরের।
সোমবার (৩ মে) সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবসহ চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১২৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ২৪ জন নগরের এবং ১১ জন বিভিন্ন উপজেলার।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ১৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১০ জন। যাদের সবাই নগরের বাসিন্দা।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ২৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। এদের ১ জন নগরের ও অন্যজন উপজেলার।
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নগরের ৯ জন ও উপজেলার ২ জন মিলে ১১ জনের শরীরের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
চট্টগ্রামের বেসরকারি করোনা পরীক্ষাগার শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১৫০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জনের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ১৮ জনই নগরের, ২ জন উপজেলার।
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নগরের ৮ জন এবং চট্টগ্রাম মেডিক্যাল সেন্টার ল্যাবে ১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নগর ও উপজেলার ১ জন করে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে নগরের ১৬ জন ও উপজেলার ২ জন করোনা শনাক্ত হয়।
এদিন ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাব ও কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।
উপজেলায় শনাক্ত ১৯ জনের মধ্যে হাটহাজারীতেই ১০ জন রোগীর হদিস পাওয়া যায়। এছাড়া, ফটিকছড়িতে ৫ জন, আনোয়ারা, বোয়ালখালী, রাউজান ও সীতাকুণ্ডে ১ জন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
এমএহক