রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ভিজিটে এসে অব্যব্যস্থাপনার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন দুই কর্মকর্তাকে। যদিও ওই অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী করা হলেও প্রকৃত অর্থে তারা দায়ী নন বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে রেলমন্ত্রীকে রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বোঝাতে সক্ষম হওয়ায় তিনি অনেকটা নমনীয় হন বলেও জানা গেছে। অন্যদিকে রেলমন্ত্রীর ‘ক্ষোভ’ দেখে পার্কিং স্পেসে ট্রাক রাখা ও ময়লার বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে রেলওয়ে।
দুই কর্মকর্তার বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে রোববার (৬ ফেব্রুয়ারি) রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর হোসেনের চট্টগ্রাম প্রতিদিন প্রতিবেদকের খোলামেলা আলোচনা হয়।
শনিবার রেলমন্ত্রীর নুরুল ইসলাম সুজন চট্টগ্রাম রেল স্টেশন পরিদর্শনকালে অব্যবস্থাপনার দায়ে রেলওয়ে (পূর্ব) বিভাগীয় কর্ম ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) তারেক মোহাম্মদ সামছ তুষার ও চট্টগ্রাম স্টেশন ম্যানেজার রতন কান্তি দেবাশীষকে সাময়িক বহিষ্কারের মৌখিক নির্দেশ দেন।
জাহাঙ্গীর হোসেন রেল মহাব্যবস্থাপকের (পূর্বাঞ্চল) কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডিআরএমের দোষ না থাকলেও তিনি দায় এড়াতে পারেন না। তার উচিত ছিল দুই দপ্তরের কার্যক্রম মনিটরিং করা। সে হিসেবে মন্ত্রী মহোদয়ের আদেশকে ভুল বলা যায় না। তবু আমরা সকল কর্মকর্তা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরে নমনীয় হওয়ার অনুরোধ করে এবারের মত ক্ষমা করে দিতে অনুরোধ করি। আশা করি তিনি সকলের অনুরোধ রাখবেন।’
তিনি বলেন, পার্কিং ও গোউাউনের অব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যেই কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি।
দুই কর্মকর্তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশকে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের ‘রাগের মাথায় ভুল সিদ্ধান্ত’ বলে মনে করেন রেলপোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার বিষয় দেখভালের কাজ চিফ কমার্শিয়াল দপ্তরের (সিসিএম)। এ ঘটনার দায় কোনোভাবে ডিআরএম ও স্টেশন ম্যানেজারের নয়।’