দিনে চাকরি করেন ফলের দোকানে, রাতে নেশা আর জুয়ার টাকা যোগাড় করতে নামেন চুরিতে। এমন অভিযোগে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে চট্টগ্রাম নগরের ফলমন্ডির দোকানের এক কর্মচারীকে।
এ সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় নগদ সাড়ে ৫ লাখ টাকা, ১টি কাটিং প্লাস, স্ক্রু ড্রাইভার, ক্রিসেন্ট রেঞ্জ লোহার ছেনি ও লোহার বাটাইল।
গ্রেপ্তার হওয়া ছালেহ আহমদ প্রকাশ শাহীন (৩০) নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থানার কাশিপুর গ্রামের গণি মাস্টার বাড়ির মো. শাহজাহানের ছেলে।
জানা যায়, ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে ফলমন্ডির রুহুল আমিন এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. ইমতিয়াজ দোকান বন্ধ করে বিআরটিসি ফলমণ্ডির সামনের চায়ের দোকানে চা পান করতে যান। একপর্যায়ে চায়ের বিল দিতে গেলে পকেটে হাত দিতেই দেখেন টাকা নেই।
তিনি আবার দোকানে গেলে দেখতে পান ছালেহ আহমদ প্রকাশ শাহীন দোকানের পূর্ব দিকে শাটার খুলে দৌড় দিচ্ছে। এরপর তিনি দোকানে গিয়ে দেখেন ক্যাশবক্স ভাঙা। ফল কেনার জন্য ক্যাশবক্সে রাখা নগদ ৬ লাখ ২৮ হাজার টাকাও নেই। পরে দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শাহীনের চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মেহেদী হাসান জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি আসামি তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি এলাকায় অবস্থান করছে। সেখান থেকে বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নেজাম উদ্দীন জানান, গ্রেপ্তার মো. ছালেহ আহমদ চাকরির পাশাপাশি প্রায় প্রতিদিনই জুয়া খেলত। একপর্যায়ে সে অর্থ সংকটে পড়লে জুয়ার টাকা জোগাতে চুরিতে জড়িয়ে পড়ে। সে তার ব্যাগে চুরি করার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে ঘুরে বেড়াত এবং সুযোগের অপেক্ষায় থাকত। চুরির কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকারও করেছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কেএস