চট্টগ্রামে জোনায়েদ সাকির ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত সাতজন

0

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ও তার সহকর্মীদের ওপর হামলায় মোট সাতজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গণসংহতির জোনায়েদ সাকির নাক ও বাঁ হাতে জোরালো আঘাত লাগে।

মঙ্গলবার (৭ মে) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের সামনে এই ঘটনা ঘটে। হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করা হয়েছে আহতদের পক্ষ থেকে।

এসময় জুনাইদ সাকির সঙ্গে ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, কেন্দ্র যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, কার্যকারী সদস্য কামরুন নাহার ডলি, যুব অধিকার পরিষদের বায়েজিদ থানার আহ্বায়ক ডা. রাসেল, মহানগর ছাত্র অধিকার পরিষদের নাহিন ইসলাম সৌরভ, গণসংহতি আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর নেতা হাসান মারুফ রুমি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রীধাম কুমার শীল, কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ জামান জনি ও ছাত্র ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফ উদ্দীন।

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার বিস্ফোরণে আহত রোগীদের দেখতে এসে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকির ওপর এই হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য শহীদ শ্যামল হামলার বিষয়ে বলেন, ‘ঢাকা থেকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বিস্ফোরণে আহতদের দেখতে এসেছিলেন। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে বের হয়ে যাওয়ার সময় তার ওপর জয় বাংলা বলে হামলা করে ছাত্রলীগ। এ সময় তার গাড়িও ভাংচুর করা হয়েছে।’

Yakub Group

তিনি বলেন, ‘হামলার পর জুনায়েদ সাকি সহ আহতরা নগরীর শেভরন হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। হামলায় আমাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’

তবে ছাত্রলীগ নেতারা দাবি করেছেন, জোনায়েদ সাকি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা শেষে দলবল নিয়ে বিভিন্ন বুথে ঘুরছিলেন। ইমার্জেন্সি থেকে মেইন গেইটে যাওয়ার সময় জোনায়েদ সাকির সঙ্গে যাওয়া লোকজনের পেছনে দুটি অ্যাম্বুলেন্স আটকা পড়ে। তাই পাবলিক ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের দিকে তেড়ে যায়।

এই বিষয়ে মন্তব্য জানতে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দীন মজুমদারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বিএস

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm