চট্টগ্রামের চোরাই গাড়ি বিক্রির মামলায় এখনও পলাতক তিনি পুলিশের খাতায়। অন্যদিকে ফরিদপুরের একটি হত্যামামলার পুনঃতদন্ত চলছে, যাতে তিনি আসামি। তার বিরুদ্ধে রয়েছে সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগও। সেই লোকই এখন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ কমিটির সদস্য। এ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে খোদ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যেই।
নাম তার জামাল হোসেন মিয়া। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে প্রথম ঢোকেন ২০১৬ সালে। এরপর ২০২১ সালে আবার নাম ঢোকান একই তথ্য ও গবেষণা উপ কমিটিতে।
চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ থানায় ছিনতাই হওয়া গাড়ি বিক্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া এক মামলার ২ নম্বর আসামি জামাল হোসেন মিয়া। জাল কাগজপত্র ও নম্বর প্লেট জালিয়াতির ওই মামলার আসামি হলেও জামাল হোসেনকে খুঁজে পায় না পুলিশ। তাদের খাতায় জামাল এখনও পলাতক।
জামাল হোসেন ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেন। পরে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠায় তাকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমার মোড়ে সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলারও আসামি এই জামাল মিয়া। এই মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।
২০১৯ সালে ফরিদপুরে নগরকান্দা-সালথায় সোবহান মাতুব্বর নামের এক বৃদ্ধকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয়। এই হত্যামামলায় ২ নম্বর আসামি জামাল মিয়া। পিবিআই বর্তমানে মামলাটির পুনঃতদন্ত করছে।