ঘটনাটি ৯ বছর আগের। চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকার একটি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে মো. আরিফ শেখ (২৯) নামে এক যুবক। ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায় সে। ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পলাতক অবস্থাতেই ২০২০ সালের মার্চে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় তাকে।
সাজা ঘোষণার পরপরই আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। প্রায় ১০মাস পর সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় খুলনার মোড়লগঞ্জ থানার কালিকাপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে বন্দর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার আরিফ শেখ বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থানার কানকী বাড়ী এলাকার মো. মশিউর শেখের ছেলে।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল কবির চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে জানান, ২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর দুপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে গিফট দেয়ার কথা বলে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে আরিফ। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলায় ২০২০ সালের ১৮ মার্চ আদালত মো. আরিফ শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন। অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় তাকে।
ঘটনার পর থেকেই আরিফ পলাতক ছিল।
রায় ঘোষণার সময়ও আদালতে উপস্থিত ছিল না আরিফ। এরপর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
বন্দর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে তার গ্রামের বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ লাগায়। সোমবার দিাগত মধ্যরাতে বাগেরহাটের কালিকাপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ওসি জাহিদুল কবির আরও জানান, আরিফকে চট্টগ্রামে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। আরিফ জানায়, ধর্ষণ কাণ্ড ঘটানোর পরপরই সে গা ঢাকা দিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছিল। পরে বছরখানেক আগে এলাকায় গিয়ে ইজিবাইক চালানা শুরু করে। এখন এলাকায় তাকে ড্রাইভার আরিফ নামেই চিনে।
আইএমই/কেএস