চট্টগ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন তিনজন। তবে এ ঘটনায় এক যুবককে কাপড় দিয়ে অস্ত্র ঢেকে মহড়া দিতে দেখা গেছে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিকাল ৪টার দিকে খুলশী সেগুনবাগান এলাকায় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ফারুক ও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলমের অনুসারীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। তবে এর আগে শুক্রবার রাতেও দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— কাওসার, ওয়াসি এবং আরিফ। এদের মধ্যে কাওসার ফারুকের ছেলে এবং ওয়াসির তার অনুসারী। এছাড়া আরিফ শাহ আলমের অনুসারী বলে জানা গেছে। আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এলাকায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রত্যেকে এলাকার নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এর মধ্যে বিএনপি নেতা ফারুক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহ আলমের অনুসারীদের মধ্যে শুক্রবার রাতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার রেশ ধরে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে আবারও দু’গ্রুপ মুখোমুখি হয়।
ফারুক ও শাহ আলম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কাওসার, ওয়াসি ও আরিফ নামে তিন যুবক আহত হন। এছাড়া একটি ভিডিও ফুটেজে এক যুবককে কাপড় মুড়িয়ে একটি অস্ত্র হাতে মহড়া দিতে দেখা গেছে। ওই যুবকের নাম রাজা বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ফারুক বলেন, ‘আমার ছেলে কাওসারকে শাহ আলমের অনুসারী মুরগী সাগরসহ অন্যরা এলোপাথাড়ি কুপিয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আমি আইনি নেবো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলশী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। আমার অনুসারী আরিফের ওপর হামলা করেছে ফারুকের লোকজন।’
ঘটনার বিষয়ে জানতে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমানকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
জেএস/ডিজে