চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় এনজিএস সিমেন্ট ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। জমি কেনার কথা বলে সেখানে তারা দেয়াল ও পিলার নির্মাণ করছেন।
শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে এনজিএসের সিমেন্ট ফ্যাক্টরির খালপাড় রোডের পাশের একটি জায়গায় পিলার দেওয়ার কাজ শুরু করে এনজিএস কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার পর পরই ভুক্তভোগী মো. হাসান পতেঙ্গায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জানা গেছে, পতেঙ্গা থানার আরএস রেকর্ডের মালিকের ওয়ারিশ গোপাল দে ২০২৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অপ্রত্যহারযোগ্য আমমোক্তারনামা দলিল করে দেন। দলিলগ্রহীতারা হলেন—মো. নুরুল আমিন ওরফে লেদু সওদাগর, মো. আবু রাশেদ খান, মো. রফিক, মোহাম্মদ হাসান,মো. ইমরান। এরপর থেকে তারা জায়গা ভোগ-দখল করে আসছেন। তফসিলের কিছু সম্পত্তি অন্যজনের নামে রেকর্ড হওয়ায় বিএস খতিয়ানে সংশোধনের জন্য আদালতের তৃতীয় জেলা যুগ্ম জজ আদালতের মামলা করা হয়। যেটি এলএসটি ৩৮১৫/২০২৪ হিসাবে প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন আছে।
কিন্তু এর মধ্যে একদিন এনজিএস সিমেন্ট কোম্পানির মালিক ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা জায়গা কেনার কথা বলে পিলার নির্মাণকাজ শুরু করেন। এনজিএস সিমেন্টের মালিক খোকন সাহা ও অশোক সাহার নির্দেশ একাজ করেন ইয়ার মোহাম্মদ ও তার অনুসারীরা। জায়গার বর্তমান মূল্যে দাম দেওয়ার কথা বলে ইয়ার মোহাম্মদ মধ্যস্থতার ফাঁদ পাতেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, এই জমি ছাড়াও এলাকার আরও অনেক নিরীহ মানুষের জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে এনজিএস সিমেন্ট কোম্পানি।
এ ব্যাপারে এনজিএস সিমেন্ট কোম্পানির পক্ষে বিশ্বজিৎ বণিক বলেন, ‘আমরা কারও জায়গা দখল করতে যায়নি। কিছু কিছু জমি আমরা ক্রয় করেছি আর কিছু জমি ক্রয় করার বিষয়ে কথা চলছে। জমির মালিকরা জায়গার দাম বেশি দাবি করছে। কিছু কিছু জমির মালিকদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আশা করি উভয় পক্ষের বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হবে।’
এ বিষয়ে পতেঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাদি থানায় অভিযোগ করার পর শনিবার ভুক্তভোগীদের থানায় আসার জন্য বললেও তারা আসেননি। কোনো যোগাযোগ করেনি। ভুক্তভোগীরা কোর্টে গিয়ে ১৪৫ জারি করেছে বলে শুনেছি।’
এসকেএস/ডিজে