চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪৫ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মমিনুল হক। তাদের মধ্যে ১৩টি লাশের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। যাদের ৯ জন ফায়ার সার্ভিসের সদস্য। বাকিদের পরিচয় এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা যায়নি। এই ঘটনায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ১৬৩ জন আহত অবস্থায় ভর্তি হয়েছেন।
রোববার (৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মমিনুল হক।
এর আগে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াছ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৯ জন মারা গেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মমিনুল হক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৪৫ জন। যাদের মধ্যে ৯ জন ফায়ার সার্ভিসের সদস্য। ৪৫ জনের মধ্যে ১৩টি লাশের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’
অন্যদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ১৬৩ জন আহত অবস্থায় ভর্তি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আহতদের মধ্যে আটজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টার করে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।’
নিহতদের সরকারের পক্ষ থেকে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘যে ১৩ জনের লাশ শনাক্ত করা গেছে তাদের পরিবারের কাছে আজকেই ক্ষতিপূরণের এই টাকা হস্তান্তর করা হবে।’
এর বাইরে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানান মমিনুল হক।
পাশাপাশি উদ্ধার ও উদ্ধার পরবর্তী আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত চিকিৎসক, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ স্থানীয় নাগরিক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
এআরটি/ডিজে