বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আকবরশাহ থানা শ্রমিক দলের উদ্যোগে মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের পোশাক এবং হাফেজ-মাওলানাদের কোরআন ও ইসলামিক সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ মে) বিকাল ৫টায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মো. আসলাম চৌধুরী এফসিএ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের অনুরোধ করবো যাতে করে সবাই ইসলামের দাওয়াত, নামাজ কায়েম ও কোরআন তেলোয়াত নিয়মিত করেন। যাতে করে মহান রাব্বুল আলামীন এই সুন্দর রাষ্ট্রের প্রতি ষড়যন্ত্রকারীদের কু-নজর থেকে রক্ষা করেন। এই চর্চা যদি সবাই বুকে ধারণ করে ইসলামের দাওয়াতসহ ফরজ নামাজ নিয়মিত করি, তাহলে এ রাষ্ট্রের অনেক অনিয়ম থেকে মানুষ সত্যের পথে ফিরে আসবে। আজ শ্রমিক দলের এই ব্যতিক্রম কর্মসূচি দেখে আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তারা আজ কোরআনের আলোকে সমাজ গঠন করার জন্য ভবিষ্যতের হাফেজ, মাওলানাদের হাতে কোরআনসহ ইসলামী সামগ্রী তুলে দেওয়ার জন্য।
আকবরশাহ থানা শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল আলম সুজনের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সভাপতি মনিরের ও নুরুল করিমের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনজুরুল আলম মঞ্জু। তিনি বলেন, দেশে এখন ধর্মকে পুঁজি করে কয়েকটা রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থকে এগিয়ে নিচ্ছেন। শ্রমিক দলের এই ব্যতিক্রমি কর্মসূচি মাদ্রাসা ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করে তুলেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ নুরুল্লাহ বাহার, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক স ম জামাল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিকদলের সহ সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধূরী মিনু, আকবরশাহ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সাত্তার সেলিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাঈনু উদ্দিন চৌধুরী মইনু, নুরুল আকবর কাজল,শামসুল আলম সেক্রেটারি, কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, আব্বাস রশিদ, রফিক উদ্দিন, ফরিদ আলম, মো. সেলিম,শহীদুল্লাহ বাহার, রায়হান উদ্দিন প্রধান।
আরও উপস্থিত ছিলেন হাসান মাহমুদ, মো. মনির হোসেন, মো. আব্দুল করিম, মো. নুরুল করিম, মো. জহির, মো. কাদের মো. মাসুম, মো. হেলাল, মো. শামীম ওসমান সাজ্জাদ, মো. সেকান্দার, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. শাকিল, মো. পারভেজ ও মো. রহমতউল্লাহ।