আবারও চাঁদাবাজির মামলা ফটিকছড়ির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে, এবার সংখ্যালঘু নারী
বসতভিটায় থাকতে ‘৫ লাখ টাকা চাঁদা’ দাবি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে বসতভিটায় থাকতে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক সংখ্যালঘু নারী।
রোববার (১৫ মার্চ) চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি রেকর্ড করা হয়। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ আয়াত উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীকে। অন্য আসামিরা হলেন জয় মালাকার (২৮), শামসুল আলম মন্টু চৌকিদার (৪০) ও জাহেদুল হাসান চৌধুরী ওরফে সিফাত (৩২)।
মামলার অভিযোগে ভূজপুর থানা এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা মালাকার জানান, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে তার বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে আসছেন। সেখানে বসবাস করতে হলে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর সকালে আসামিরা প্রথম দফায় তার বাড়িতে গিয়ে মারধর করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এরপর গত ১০ মার্চ আবারও আসামিরা তার বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ করেন এবং পানির ট্যাংকির পাইপসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
আগেও উঠেছিল চাঁদাবাজির অভিযোগ
এর আগেও চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি ইটভাটায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। এ ঘটনায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মো. শফিউল আলম নামে এক ব্যক্তি মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটি ভূজপুর থানায় তদন্তাধীন রয়েছে।



