এনসিটি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থার পর বন্দর সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পুলিশ। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বন্দর এলাকায় মিছিল ও সমাবেশের কারণে তীব্র যানজট তৈরি হয় এবং এতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। একইসঙ্গে এ পরিস্থিতি জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, ৩ নম্বর জেটি গেট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা ক্রসিংসহ আশপাশের এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র বহন ও ব্যবহার এবং যে কোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত, এক মাসের জন্য।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে গণবিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
এর আগেও গত বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিএমপি।
এএইচ/ডিজে



