কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে পিস্তলের গুলি বিক্রি করতে গিয়ে আটক হয়েছেন এক রোহিঙ্গা নাগরিক। তার কাছ থেকে ৯ মি.মি. পিস্তলের ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে বিজিবি।
আটক রোহিঙ্গার নাম মো. আমীন। তিনি বালুখালী ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আমির হাকিমের ছেলে।
সোমবার (৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়ার ওবিএম পোস্টের সামনে নৌকা করে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়ার ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।
তিনি জানান, ৪ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪) বিজিবি হোয়াইক্যং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ওবিএম পোস্টের সামনে দিয়ে নৌকা করে যাচ্ছিল আমীন। তাকে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তল্লাশি করলে একপর্যায়ে তার কাছে থাকা কালো ব্যাগের ভেতর থেকে ৯ মি.মি. পিস্তলের ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি পিস্তলের গুলি বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিল বলে জানান।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান লে. কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।
নারীর ব্যাগে শুটারগান ও কার্তুজ
এদিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান চালিয়ে এক রোহিঙ্গা নারীর ব্যাগ থেকে অস্ত্র-কার্তুজ ও বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন)। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দুটি ওয়ান শুটারগান, আট রাউন্ড কার্তুজ ও ৫টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬ টার উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ‘ই’ ব্লকের বাসিন্দা রশিদ আহমদের বসত বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার নারী হলেন—উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ‘ই’ ব্লকের বাসিন্দা রশিদ আহমদের মেয়ে শ্রাবণী ওরফে সাবু (৪০)। রাতেই তাকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমীন জানান, গোপন সংবাদের ভিওিতে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার আসামিকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসেন জানান, এপিবিএন পুলিশ এক রোহিঙ্গা নারীকে হস্তান্তর করেছে। এ ব্যাপারে একটি মামলা রুজু করা হয়।
ডিজে