সনাতনীদের হাতে পবিত্র গীতা তুলে দিয়েছে সনাতনী সচেতন নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রাম ও শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ, কোতোয়ালী থানা শাখা।

বুধবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটার রাধাকৃষ্ণ ও লোকনাথ মন্দিরের শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পবিত্র গীতা বিতরণ করে সংগঠন দুটি।

শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডা. রাজীব বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য চট্টগ্রামের ট্রাস্টি দীপক পালিত।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও আশীর্বাদক ছিলেন দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন উপদেষ্টা সম্পাদক এবং জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি আয়ান শর্মা।

প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব ধর তমাল।
মহান অতিথির বক্তব্য রাখেন ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল বালি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক ও সিটি কর্পোরেশনের পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের সাইদুর রহমান সাইদ, সচেতন সনাতনী নাগরিক সমাজের উপদেষ্টা সুজন দাশ নয়ন, সনাতনী নারী নেত্রী সোমা দাশ, কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক পম্পি দাশ, মহানগর শাখার সভাপতি টিংকু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সৌরভ মহাজন, সহ-সভাপতি অন্তু দাশ, সাধন দাশ বাবুল, রাহুল সাহা ও পলাশ দাশ।
প্রধান অতিথি দীপক পালিত বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন আমাদের গীতা পড়তে দেওয়া হতো না নানান কারণে। এখন অনেক গীতা শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। গীতা শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমেনআমাদের সন্তানদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
চট্টগ্রাম প্রতিদিনের উপদেষ্টা সম্পাদক আয়ান শর্মা বলেন, পারিবারিক শিক্ষার পাশাপাশি গীতা শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। গীতার সঠিক শিক্ষা, সনাতনীদের অহিংসা দূর করে, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ উপহার দিতে পারে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে রাজীব ধর তমাল বলেন, সনাতনী পরিবারে গীতা শিক্ষার অভাবে, সনাতনীদের মাঝে বিভিন্ন কুসংস্কার বিরাজ করছে। যা সমাজেও বিভাজন সৃষ্টি করে। শিশুদের হাতে পবিত্র গীতা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সঠিক ধর্মচর্চায় আগ্রহী করে তোলার ওপর, গুরুত্ব দিতে হবে। গীতা শিক্ষা মাধ্যমে সমাজ থেকে, বিভাজন দূর করা সম্ভব।



