s alam cement
আক্রান্ত
১০২২৪৫
সুস্থ
৮৬৮৫৬
মৃত্যু
১৩২৫

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ৪ বছর পর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ শুনলেন স্বামী

0

ভালোবেসে ২০০৮ সালের ভালোবাসা দিবস ১৪ ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেছিলেন রিন্টু বড়ুয়া ও রুমি বড়ুয়া। বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোভাবে চললেও পরে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য হতে শুরু করে। ছোট সেই মতদ্বৈততা রূপ নেয় ঝগড়ায়। এক পর্যায়ে স্ত্রী রুমিকে মারধর শুরু করে স্বামী রিন্টু। পরে ২০১৭ সালে এসে খুন করে ফেলে স্ত্রীকে। খুনের ৪ বছর পর এবার স্বামী শুনলেন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে রিন্টু বড়ুয়া নামের সেই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত ৫ম জেলা ও দায়রা জজ অশোক কুমার দত্ত এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত ৫ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট রতন চক্রবর্তী।

রিন্টু বড়ুয়া (৪১) রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী এলাকার ডা. কমল কান্তি বড়ুয়ার ছেলে। তার স্ত্রী রুমি বড়ুয়া শিক্ষিকা ছিলেন।

অ্যাডভোকেট রতন চক্রবর্তী বলেন, ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রিন্টু ও রুমির বিয়ে হয়। প্রথমে তাদের দাম্পত্য জীবন ভালো চললেও পরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। একপর্যায়ে রুমিকে মারধর করা শুরু হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রুমী বড়ুয়া বান্দরবন স্কুলে ও রিন্টু বড়ুয়া সেনবাহিনীতে চাকরি করায় দুইজনে বান্দরবানে থাকতেন। ঘটনার সময় (২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট) তারা বেড়াতে রাঙ্গুনিয়ার নিজ গ্রামে বেতাগীতে এসেছিলেন। ঘটনার দিনে রাতে স্বামী-স্ত্রী দুইজনে মিলে নিজ বাড়ির ছাদে আড্ডা দিচ্ছেলেন। এসময় রুমী বড়ুয়া মোবাইল গেমস খেলছিলেন। একপর্যাযে স্বামী রিন্টু বড়ুয়া ছুরি দিয়ে গলার আঘাত করে স্ত্রীকে হত্যা করে।

পরদিন ১৪ আগস্ট রুমির ভাই মনোজ কান্তি বড়ুয়া বাদী হয়ে রাঙ্গুনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১৭ আগস্ট ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দীনের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় রিন্টু। ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক সোমবার (৮ নভেম্বর) রিন্টু বড়ুয়ার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm