এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিএনপির সমাবেশ, শনিবার দোয়া মাহফিল

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম–৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ নির্বাচনী গণসংযোগ করার সময় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনের দলীয় চত্বর। দলটির উদ্যোগে সেখানে আয়োজিত হয় এক প্রতিবাদ সমাবেশ। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিএনপির সমাবেশ, শনিবার দোয়া মাহফিল 1

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, এরশাদ উল্লাহর ওপর নির্বাচনী গণসংযোগকালে চালানো হামলা জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।

তিনি বলেন, এটি কেবল একজন প্রার্থী বা একটি দলের ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো জাতির গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর আঘাত। তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারী ও অস্ত্রধারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মীর হেলাল বলেন, হামলা, গুম, মামলা দিয়েও বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না। গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

সমাবেশে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মুহাম্মদ নাজিমুর রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনী মাঠে হামলা–হুমকি বিএনপিকে ভয় দেখাতে পারবে না। চট্টগ্রামের প্রতিটি নেতাকর্মী আরও ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেন তিনি।

বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর। তিনি বলেন, এই হামলা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে করা অপচেষ্টা। বিএনপি ভয় পায় না এবং জনগণের সমর্থনই সন্ত্রাসবাদকে পরাজিত করবে।

সভা শেষে জানানো হয়, শনিবার (৮ নভেম্বর) মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সন্ত্রাসী হামলায় আহত নেতাকর্মীদের দ্রুত সুস্থতা, দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় এই দোয়ার আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ আজিজ, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, এসএম সাইফুল ইসলাম, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদ উল আলম রাসেল, শিহাব উদ্দিন মোবিন এবং মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য এসএম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, মুজিবুল হক, মোরশেদুল আলম, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মোশারফ হোসেন ডিপটি, একে খান, গাজী আইয়ুব, হানিফ সওদাগর ও মোহাম্মদ আজম।

মহানগর যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, মোহাম্মদ শাহেদ, মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, জমির উদ্দিন নাহিদ, সাইফুল আলম এবং শরিফুল ইসলাম তুহিনসহ আরও অনেকে।

ksrm