চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া তিন ফিশিং বোটসহ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বাসিন্দা ৮৮ জন জেলেকে আটক করেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনীর জাহাজ ভারত-বাংলাদেশ জল সীমানার ৩৫ নটিক্যাল মাইল ভেতরে ঝাউখালিতে টহলদারি চালানোর সময় বাংলাদেশি ট্রলারগুলো দেখতে পায়। এরপর তিনটি ট্রলারসহ নৌযানগুলোতে থাকা ৮৮ জন জেলেকে আটক করে উপকূল রক্ষীবাহিনী। পরে ওই জেলেদের কলকাতার ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টগার্ড ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটককৃতদের কাকদ্বীপ আদালতে তোলা হয়।
জানা গেছে, তিনটি ট্রলারে থাকা ৮৮ জন মৎস্যজীবীর সকলের বাড়িই বাংলাদেশের বাঁশখালীসহ চট্টগ্রাম এবং মহেশখালীসহ কক্সবাজার এলাকায়। এদের মধ্যে ৫ জন শিশু রয়েছে। তাদেরকে হোমে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৮৩ জনকে বৃহস্পতিবার কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে মাছ ধরা ও বিদেশি অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কলকাতার দক্ষিণ ২৪ পরগণার সাংবাদিক অমিত মণ্ডল জানিয়েছেন, ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জলসীমা থেকে ফিশিংবোট এফবি আল রাফি, এফবি সোনার মদিনা ও এফবি ফাতেমা নামে বাংলাদেশের তিনটি ফিশিংবোট আটক করে।
তিনি জানান, ওই তিনটি বোটে ৮৮ জন জেলে রয়েছেন। আটক ফিশিংবোট ও জেলেদের বুধবার দুপুরে ভারতীয় কোস্টগার্ডের ফ্রেজারগঞ্জের ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে ওই তিনটি ট্রলার রয়েছে নামখানার ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্য বন্দরে।
জানা গেছে, আটক জেলেদের বুধবার রাতেই ফ্রেজারগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের কাকদ্বীপ আদালতে তোলার পর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
সিপি