চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, ‘প্রশাসনের কার্যক্রম যাতে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজ ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য মাঠপর্যায়ে গিয়ে সরাসরি সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হতে হবে। এজন্য আন্তঃক্যাডার সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে যৌথ প্রচেষ্টা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’
চট্টগ্রাম জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। আন্তঃক্যাডার সহযোগিতা প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সভায় বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্য ফিরোজ আহমদ, ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া, ড. মো. হাফিজুর রহমান ভূঁইঞা, মেহেদী হাসান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং আইন অনুষদের অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান।
সভায় মতামত ব্যক্ত করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, সাংবাদিক মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, মানবাধিকার সংগঠক জেসমিন সুলতানা পারু এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ।
আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) একেএম গোলাম মোর্শেদ খান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. শরীফ উদ্দিন।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্যরা সভায় জানান, স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক, জনমুখী, নিরপেক্ষ ও দক্ষ জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জন্য এ কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রশাসনের কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। জনগণ এবং প্রশাসনের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনতে প্রশাসনকে আরও জনমুখি হতে হবে।
জেজে/ডিজে