৯ বছর আগে পুলিশ খুনের মামলায় ৪ যুবকের কারাদণ্ড চট্টগ্রামে

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) এসএএফ শাখার নায়েক ফরিদ উদ্দিন খুনের দায়ে চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন আদালত।

রোববার (৭ মে) চট্টগ্রাম চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর ও দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঞাঁর আদালত এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া জব্বার সওদাগর বাড়ির মৃত মনির আহমদের ছেলে জসিম উদ্দিন রাজু (৩৬), হালিশহর রঙ্গীপাড়া টেকসি ফকিরের মাজার মতি ভাণ্ডারের বাড়ির আব্দুল মোনাফেক ছেলে মো. মাবুদ দুলাল (৩৫), বায়েজিদ থানার খন্দকিয়া হাট মাস্টার বাড়ির তপন দে’র ছেলে অর্জুন দে (২৮) ও কুমিল্লা দেবিদ্বার মিয়াকাজী বাড়ির আব্দুর রশিদের ছেলে মো. মনির (৩১)।

s alam president – mobile

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বলেন, সিএমপির এসএএফ শাখার নায়েক ফরিদ উদ্দিন হত্যা মামলায় জসিম উদ্দিন রাজু, মাবুদ দুলাল ও অর্জুন দেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলার আসামি মো. মনিরকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রায় ঘোষণার সময় মাবুদ দুলাল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে নগরীর আগ্রাবাদ ব্যাংক কলোনি এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেদিন অটোরিকশা চালক জাহেদুল ইসলাম ঘটনাস্থলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ফরিদ উদ্দিনকে গুরুতর আহত অবস্থায় গাড়িতে তুলে নেন। পরে আগ্রাবাদ মোড়ে এসে টহল পুলিশের একটি টিমকে ঘটনার বিবরণ দেন। এই সময় টহল পুলিশ নায়েক ফরিদ উদ্দিনকে দ্রুত আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Yakub Group

এই ঘটনার পরদিন ১৪ জানুয়ারি ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির আমিনুল হক বাদি হয়ে হত্যা মামলা করেন। একই বছরের ২৮ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

চার্জশিটে উল্লেখিত আসামি ছাড়াও মো. নাসির ও মো. রাজিব নগরীর হালিশহরে পুলিশের সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে মারা যায়। পরে ময়নাতদন্তে উঠে আসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত ও ইনজেকশন পুশ করার কারণে নায়েক ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

আরএস/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!