চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হামলা, গুলিবর্ষণ ও বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক যুবকের বাবা। মামলায় সাবেক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীসহ ৫২ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আরও ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাতে নগরীর চান্দগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন এজাজ খান নামে এক ব্যবসায়ী।
মামলার অন্যতম অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, মহিউদ্দিন বাচ্চু, সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, আরশেদুল আলম বাচ্চু, নুরুল আজিম রনি। এছাড়া আরও আছেন সাবেক কাউন্সিলর মোবারক আলী, নুর মোস্তফা টিনু, শৈবাল দাশ সুমনের নামও।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকালে নগরীর চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট মোড়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা ছাত্র-জনতার ওপর আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলিবর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। এ সময় বাদি এজাজ খানের ছেলে ইয়াস শরীফ খান গুলিবিদ্ধ হন। এখনও রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ইয়াস।
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) রাতে মামলাটি করেন। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীসহ ৫২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত হিসেবে ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ডিজে