রাজধানীর পরেই করোনাভাইরাসের টিকা সবচেয়ে বেশি পেয়েছে চট্টগ্রামের মানুষ। দেশে করোনার সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যুও ঘটেছে এই দুটি বিভাগে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম টিকা পেয়েছে বরিশাল।
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা এ পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে পেয়েছেন ৪২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৪২ জন। অন্যদিকে চট্টগ্রামে দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬১৮১ জন।
সবশেষ হিসাব অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৪৮৯ জনের। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৬৭০ জনের।
বরিশাল বিভাগের মানুষ করোনার টিকা পেয়েছে সবচেয়ে কম। ওই বিভাগে দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৩৩৭ জন। অবশ্য সেখানে করোনা শনাক্তের সংখ্যা তুলনামূলক কম— ১৬ হাজার ৮৬৮ জন। মৃত্যুও কম— ৪১৪ জনের।
দেশের মোট আটটি বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগে দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৯৭ জন। খুলনা বিভাগে এই সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ৪৭৫।
অন্যদিকে সিলেট বিভাগে দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৭২ জন। রংপুরে এই সংখ্যা ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৫ জন। ময়মনসিংহে দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৪০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে করোনা সংক্রমণের ৬৮তম সপ্তাহ (২০ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত) শেষ হয়েছে। এই সপ্তাহে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ১১১ জন। একই সময়ে মারা গেছেন ৫৮৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২০ হাজার ৭০৮ জন।
এর আগের সপ্তাহে (১৩ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত) ১ লাখ ৪৯ হাজার ১৪০টি নুমনা পরীক্ষা করে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৫৪১ জন। একই সময়ে মারা গেছেন ৩৯৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ১২২ জন।
সিপি