চট্টগ্রাম বন্দরে মাল্টার আড়ালে এলো সিগারেট, ৩০ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

চট্টগ্রাম বন্দরে মাল্টা আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে কোটি টাকার বিদেশি সিগারেট। গড়মিল দেখে কন্টেইনার কায়িক পরীক্ষার সময় ভেতরে পাওয়া গেছে ১ হাজার ২৫০ কার্টন ল্যামার ও অস্কার ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট। তবে এর মধ্যে ২৮ কার্টন মাল্টাও ছিল। এতে অন্তত ৩০ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (২১ মে) বিকালে কনটেইনার খুলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা এই তথ্য উদঘাটন করে। বিষয়টি বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘আহসান করপোরেশন’ ১৫ মে মাল্টার নামে চালানটি ঘোষণা করে। পণ্য খালাসে নিয়োজিত ছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ‘দিবা ট্রেডিং লিমিটেড’।

চট্টগ্রাম কাস্টমস জানায়, ঘোষণায় গড়মিল দেখে কন্টেইনারটি ‘ফোর্সড কিপ ডাউন’ পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায়, ভেতরে আছে ১ হাজার ২৫০ কার্টন ল্যামার ও অস্কার ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট এবং মাত্র ৩৮ কার্টন ‘ফ্রেশ ন্যাভেল অরেঞ্জ’।

এআইআর শাখার প্রাথমিক ধারণা, এই চালানে প্রায় ৩০ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, ভুয়া ঘোষণা ও নথিপত্র ব্যবহার করে বিপুল রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন, প্রক্রিয়া শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে বৈধভাবে বিদেশি সিগারেট আমদানির ক্ষেত্রে প্যাকেটের গায়ে বাংলায় ধূমপানবিরোধী সতর্কবার্তা থাকা বাধ্যতামূলক। জব্দকৃত সিগারেটগুলোতে তা ছিল না।

নিয়ম অনুযায়ী, মান যাচাই শেষে জব্দ করা পণ্য ধ্বংস অথবা নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জেজে/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm