আগেরদিন করোনায় এক মৃত্যুর পাশাপাশি চট্টগ্রামে শনাক্ত কমে নেমে এসেছিল পাঁচশর ঘরে। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বদলে গেছে সেই চিত্র। এদিন মৃত্যুতে বড় লাফ দিয়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৩ জনে। একই সময়ে বেড়েছে শনাক্তও। চট্টগ্রামে নতুন শনাক্ত ৭২৯ জনের মধ্যে ৫৩০ জন নগরের এবং ১৯৯ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ ২০ হাজার ৪৪৩ জনে। তাদের মধ্যে নগরের বাসিন্দা ৮৭ হাজার ৮০৭ জন। অন্যরা বিভিন্ন উপজেলার। আক্রান্তদের মধ্যে ১ হাজার ৩৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৩৩ জন নগরের। আর বিভিন্ন উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে ৬২৫ জনের।
মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে ২ হাজার ৯৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭২৯ জনের দেহে করোনার জীবাণু শনাক্ত হয়। এতে করে পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার হয় প্রায় ২৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৯ জন, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ল্যাবে ২৩৫ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ৫৬ জন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটি ল্যাবে ৫৭ জন, অ্যান্টিজেন টেস্টে ৫৪ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৯১ জন, শেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ৭৮ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৪৬ জন, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৩১ জন, ইপিক হেলথকেয়ার ল্যাবে ৩১ জন, ল্যাবএইড হাসপাতাল ল্যাবে একজন, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে পাঁচজন এবং এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ল্যাবে ২৫ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়।
উপজেলায় শনাক্ত ১৯৯ জনের মধ্যে রাউজান ও হাটহাজারীর ৩০ জন রয়েছেন। এছাড়া, পটিয়ায় ২৭ জন, বোয়ালখালীতে ২২ জন, ফটিকছড়ি ও আনোয়ারায় ২০ জন করে, সন্দ্বীপে ১১ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ৯ জন, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীতে ৭ জন করে, মিরসরাইয়ে ৫ জন, চন্দনাইশ ও সীতাকুণ্ডে ৪ জন করে, লোহাগাড়ায় ২ জন এবং কর্ণফুলীতে ১ জন শনাক্ত হয়েছেন।
এমএহক