গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা মূল্যমানের ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আইনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মো. নোমান হোসেন।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে স্থানীয় অংশীজনদের সমন্বয় সভায় তিনি একথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ২০০৬ সালে প্রণয়ন করা হয়েছে গ্রাম আদালত আইন। ২০১৬ সালে প্রণয়ন করেছে গ্রাম আদালত বিধিমালা ২০১৬। গ্রাম আদালতকে যুগোপযোগী করে ২০২৪ সালে আইনটি সংশোধনের পর প্রণয়ন করেছে। গ্রাম আদালতে স্থানীয়ভাবে স্থানীয় বিরোধ নিস্পত্তি হলে বিচার প্রার্থীর টাকা ,শ্রম ও কষ্ট—সবই কম হয়। গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে এখনও জানে না অনেকে। না জানার কারণে ভুক্তভোগীরা বিচার চাইতে থানা কিংবা জেলা আদালতে যান।
সরকারি-বেসরকারি স্থানীয় অংশীজনরা বলেন, প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের কিভাবে গ্রাম আদালতের সেবা প্রচার করার সুযোগ আছে, তা চিহ্নিত করে প্রচারণার উদ্যোগ নিতে হবে। তাহলে জনগণকে ইউনিয়নমুখি করা সম্ভব।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার শাকিব শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাবিক) মো: কামরুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তাবায়ন সহযোগী সংস্থা ইপসা’র সহকারী পরিচালক ও গ্রাম আদালত প্রকল্পের সমন্বয়কারী ফারহানা ইদ্রিস, বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের চট্টগ্রাম জেলার ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল আনোয়ার ভূঁঞা, উপজেলা সমন্বয়কারী জানে আলম, আঁখি বড়ুয়া, মহিউদ্দিন ,শফিউল করিম।