চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কিশোরী তাসনীম ইসলাম প্রেমা (১৮) অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানল।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া চুনতি বন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে মাইক্রোবাস ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন ১০ জন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন—প্রেমার বাবা রফিকুল ইসলাম শামীম (৪৬), মা লুৎফুন নাহার সুমি (৩৫), দুই বোন লিয়ানা (৮) ও আনিশা আক্তার (১৪) এবং কাজিন তানিফা ইয়াসমিন (১৬)।
প্রেমা দুর্ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন ছিল। অবশেষে শুক্রবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ধীমান চৌধুরী জানান, প্রেমার আঘাত গুরুতর ছিল, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
প্রেমার মামি জেসমিন রহমান বলেন, ডাক্তারদের শত চেষ্টা সত্ত্বেও কলেজপড়ুয়া মেয়েটির জ্ঞান ফেরেনি। পুরো পরিবারটাই চলে গেল…।
এই দুর্ঘটনায় এক পরিবারের ছয় সদস্যসহ এখনও পর্যন্ত ১১ জন প্রাণ হারালেন।
জেজে/ডিজে