ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁস, সিএমপির কনস্টেবল গ্রেপ্তার

অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা

চট্টগ্রামে পুলিশের গোপন ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁসের ঘটনায় এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যের নাম অমি দাশ। তিনি সিএমপির টেলিকম ইউনিটের কনস্টেবল এবং প্রেষণে খুলশী থানায় কর্মরত ছিলেন।

রোববার (১৭ আগস্ট) মধ্যরাতে খুলশী থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা হয়েছে।

অমি দাশের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ায়। বাবার নাম রাজিব দাশ। সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১২ আগস্ট চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ ওয়্যারলেসে সিএমপির সব সদস্যকে উদ্দেশ করে জরুরি নির্দেশনা দেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ গুরুতর আহত হওয়ার পর কমিশনার এই নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগের নিয়ম অনুযায়ী সব টহল ও ডিবি টিমকে অস্ত্র এবং লাইভ অ্যামুনিশন বহন করতে হবে। শুধুমাত্র রাবার বুলেট দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। কোনো টহল টিমের সামনে যদি কেউ অস্ত্র বের করে—সেটা ধারালো অস্ত্র হোক বা আগ্নেয়াস্ত্র—গুলি চালাতে হবে। সরকারি গুলি যেন সর্বোচ্চ কাজে লাগানো হয়, সেই নির্দেশও দেন তিনি।

কমিশনারের এই বক্তব্য ওয়াকিটকি ও ভিডিওতে রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে চাপে পড়ে সিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তারা। পরে বিশেষ টিম তদন্ত চালিয়ে অমি দাশকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে।

১১ আগস্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের মিছিলে পুলিশ পৌঁছালে সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভকারীদের হামলায় এসআই আবু সাঈদ গুরুতর আহত হন। এর পরদিন রাতেই কমিশনারের ওই কড়া নির্দেশনা আসে।

জেজে/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm