চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণ, গোপনে ভিডিও ধারণ ও তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আবুল মনছুর নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে পটিয়া পৌরসদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পটিয়া থানা পুলিশ। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী গৃহবধূ বাদি হয়ে আবুল মনসুরকে একমাত্র আসামি করে পটিয়া থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
গ্রেপ্তার আবুল মনছুর (৩৯) নগরীর বাকলিয়া থানার ছিদ্দিক কলোনির বাসিন্দা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পটিয়া পৌরসভার ওয়াপদা রোড এলাকায় গৃহবধূর প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন ওই গৃহবধূ। স্বামীর সঙ্গে তার একটি আইনি বিষয়ে সহযোগিতার সূত্র ধরে পরিচয় হয় আবুল মনছুরের সঙ্গে। এরপর ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গৃহবধূর বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন মনছুর। ধর্ষণের সময় গোপনে মোবাইলে আপত্তিকর ভিডিও এবং স্থিরচিত্র ধারণ করে রাখেন তিনি। এরপর ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে ব্ল্যাকমেল এবং একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময় নগরীর বাকলিয়া থানার ছিদ্দিক কলোনির একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে ওই গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন মনছুর। প্রতিবারই তিনি নতুন করে ভিডিও ধারণ করত এবং সেগুলো ব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে হুমকি দিতো ও মানসিক চাপে রাখতেন। সম্প্রতি অভিযুক্ত ব্যক্তি গোপনে ধারণ করা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে পরিবারে মারাত্মক সংকট ও মানসিক ভেঙে পড়ার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, গৃহবধূর পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডিজে